আজি নিয়ে নিন প্রবাসী লোন অল্প সুদে যেকোন ব্যাংক অথবা এনজিও থেকে 2022

ভাই আপনি কি একজন প্রবাসী? আপনি কি টাকা পয়সার জন্য সমস্যা আছেন? আপনি কি মনে মনে প্রবাসী ব্যাংক থেকে অথবা প্রবাসী লোন নেওয়ার জন্য চিন্তা করতাছেন? যদি তাই হয়, তাহলে এই পোস্ট-টা আপনার জন্য। এখানে আপনার জন্য নিয়ে আসছি আমরা সম্পূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কিভাবে আপনারা পেতে পারেন অতি সহজে আপনাদের প্রবাসী লোন। কি কি লাগবে আর কীভাবে নেবেন, সম্পূর্ণ রূপে বর্ণনা করেছি। আমরা আপনার জন্য তাই আর দেরি না করে পড়ে নিন, কি কি করতে হবে আর আপনার কি কি জানতে হবে সম্পূর্ণ বিবরণ এ প্রশ্নের মধ্যে পেয়ে যাবেন।

আসসালামুয়ালাইকুম আমি মহিউদ্দিন আপনাদের সাথে আছি, কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করি অনেক অনেক ভাল আছেন এবং আমিও ভাল আছি তাই আপনাদের জন্য আজকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের জন্য। তাই আপনারা এই গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বটি পরে নিতে পারেন আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।

প্রবাসী লোন সম্পর্কে কিছু তত্ত্বে

প্রবাসী লোন টা হল এটা একটা এমন জিনিস যেটি অন্যান্য ব্যাঙ্ক অথবা এনজিও থেকে আলাদা একটা লোন। যেমন আমরা বাড়ি এবং পাড়া-মহল্লা তে মধ্যে মেয়েদের বা মাধ্যমে স্ত্রীদের মাধ্যমে অথবা মা-বোনদের মাধ্যমে লোন নিয়ে তাকি। বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে, সেটি হয় সাপ্তাহিক বা মাসিক, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সপ্তাহিক হয়ে থাকে। মাসিক অনেক কম হয়ে থাকে তাই চাপটা অনেক বেশি থাকে একটু, সাপ্তাহিক লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক যখন আপনি কিস্তি পরিশোধ করতে যাবেন তখন একটু বিরক্তি তো হয়। আমাদের সবাইকে কারণ টাকা পয়সা জোগাড় করতে একটু কঠিন হয়ে যায়, কারন একটা কিস্তি না দিতে আর একটা কিস্তি ও হাজির হয়ে যায় সেজন্য।

read more: সাজেদা ফাউন্ডেশন এনজিও পার্সোনাল লোন নেওয়ার সহজ উপায় 2022

 আর মাসিক কিস্তি টা হল একবার দিয়েছেন আজকে, এরপরে একমাস আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন পরের মাসে আসলে আপনি যে কোন প্রকারে আপনি টাকাটা জোগাড় করে দিতে পারবেন। তাই আমার মতে মাসিক কিস্তিতে লোন নেওয়া অনেক বেশি সুফল বয়ে আনে সাপ্তাহিক কিস্তি থেকে। আর বর্তমানে অধিকাংশ এনজিও বলতে গেলে 95% সংস্থাগুলো সাপ্তাহিক লোন দিয়ে থাকে, আর বাকি 5 শতাংশ এনজিওগুলো মাসিক কিস্তিতে লোন দিয়ে থাকে।

 এইজন্যে যারা বিদেশে আছেন যাদের ছেলে মেয়ে অথবা হাজবেন্ড বিদেশে আছে, তাদের মাধ্যমে যদি আপনি প্রবাসী লোন নেন তাহলে অনেক উপকৃত হবেন। সেটার মধ্যে ইন্টারেস্ট কম পাবেন, এবং এটা আপনার মাসিক কিস্তিতে পাবেন।

read more: সহজ লোন পাওয়ার উপায়, Uddipan এনজিও ঋণ কিভাবে পাবো সহজভাবে

যেমন 12 থেকে 24 মাস মেয়াদে কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবেন সেটা হলো অনেক একটা ভালো দিক। কারণ যদি আপনি যদি দুই বছর মেয়াদী লোন নেন, তাহলে আপনার জন্য কিস্তিতে পরিশোধের সময় আপনার কিস্তির পরিমাণ সংখ্যাটা একটু কম হবে। তাই আমার মতে দুই বছরের জন্য যদি কিস্তি টা নেন তাহলে আপনার অনেক ভালো হবে, আর প্রবাসী লোন অনেক ইন্টারেস্ট কম থাকে। আর যদি পারেন আপনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে যদি নিতে পারেন, এ লোন তাহলে আপনি আরও বেনেফিশিয়াল হবেন কারণ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে সুদের হার অনেক কম।

প্রবাসী লোন কোন কোন ব্যাংক দিয়ে থাকে?

বর্তমানে অনেক এনজিও সংস্থা এবং ব্যাংক প্রবাসী লোন দিয়ে তাকে, সবচাইতে বেশি লোন দিচ্ছে এনজিও সংস্থা। প্রবাসীদের জন্য এনজিও সংস্থা বর্তমানে মানুষের এমন কাছে পৌঁছেছে যে, তারা প্রতিনিয়ত বলতেছে আমাদের কাছ থেকে লোন নেন। আপনি যদি বিদেশ থাকেন, আপনি যদি বাইরে থাকেন তাহলে আপনার যদি প্রয়োজনে পরে টাকার। তাহলে আমাদের কাছ থেকে আপনারা অতি সহজ শর্তে প্রবাসী লোন নিয়ে নিন, সেটাই তারা এখন মূল রচনা করেছে। আপনার দেখতে হবে কোন এনজিওতে সুদের হার কম। সেই ব্যাংক থেকে এনজিওতে কে আপনি লোনটা নিতে পারবেন, তাই আমরা এখানে উল্লেখ করে দিয়েছি বর্তমানে যে এনজিও/ব্যাংক কাছ থেকে নিতে পারবেন। এখানে কিছু ব্যাংকের লিস্ট আমরা দিচ্ছি এনজিও সংস্থার লিস্ট আমরা দিচ্ছি সেখান থেকে আমরা যোগাযোগ করে আপনারা লোন নিয়ে নিতে পারবেন।

  • প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  • BURO Bangladesh
  • Shakti Foundation

কি কারনে প্রবাসী লোন নেবেন?

আসলে প্রবাসী লোন টা আমরা কেন নেব, কি করেন আমরা লোন টা নেব? কারণ আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে যাই। প্রবাসে থাকা কালিন সময় মতো আমরা বেতন পাইলাম না, তখন আমাদের একটু চাপটা বেড়ে যায়। ধরেন আমাদের ভিসা লাগানোর সময় চলে আসছে অনেক টাকা লাগে তখন হাতে তখন টাকা থাকে না, তখন আমাদের টাকার প্রয়োজন হয় অন্যের কাছ থেকে ধার নেওয়াটা অনেক কষ্ট হয়ে যায়। তাই প্রবাসী লোন নেওয়াটাই ভালো, কারণ মানুষের পক্ষে সবসময় টাকা নিয়ে বসে থাকে না যে, আমি ধার চাইলাম তার কাছে পেলাম না ভয়, যদি ধার না পেয়ে থাকেন তাহলে। আমরাই লোন টা নিয়ে আমাদের কাজটা সারতে পারে। Read More: ছোট ব্যবসা শুরু করুন গ্রাম অথবা শহর থেকে.

  • যেমন বাড়িতে আমি আসলাম একটা বাড়ি করতেছি আমার টাকা শট পরে গেছে টাকা নাই। সে ক্ষেত্রে বাড়ির কাজটা অর্ধেক রেখে দিয়ে লাভ কি? তখন আমরা প্রবাসী লোন টা নিয়ে, সে বাড়ির কাজটা শেষ করে দিই। আমরা আস্তে আস্তে তারপর ওই কিস্তির মাধ্যমে লোন ক্লিয়ার করতে থাকে।
  • যেমন আমরা একটা জমি ক্রয় করছি আমাদের কিছু টাকা শর্ট পড়েছে। তখন আমরা প্রবাসী লোন টা নিয়ে আমাদের জমি করে নিতে পারব সেটা একটু উত্তম বিষয় এভাবে আমরা প্রবাসীরা কাজে লাগিয়ে থাক।
  • আমি বিদেশ যাচ্ছি আমার টাকা শর্ট পড়েছে আমার অর্থ জোগাড় করতে পারলাম না। সে ক্ষেত্রে আমরা প্রবাসী ব্যাংক থেকে আমরা সহজ শর্তে সেটা নিয়ে আমাদের বিদেশ ভ্রমণের টাকাটা যোগান দিতে পারি।

কেন প্রবাসী লোন প্রয়োজন হয়?

কেন প্রবাসী লোন টা আমাদের প্রয়োজন পড়ে? আমি এর উপরে কিছু তথ্য দিয়েছে এবং আপনারা তো নিজেরাই বুঝেন কেন আপনাদের এই প্রবাসী লোন টা প্রয়োজন পড়ে। আমাদের টাকার যখন সংকট চলে আসে আমরা যখন বিদেশে থাকি আমাদের টাকার একটু প্রয়োজন পড়ে। তখন আমরাই প্রবাসী লোন নিয়ে থাকি অতি সহজ শর্তে।

কি কি লাগবে প্রবাসী লোন নিতে আপনার? 

প্রবাসী লোন নেওয়ার জন্য আপনার কি কি লাগবে? কি কি ডকুমেন্ট লাগবে? সেই তথ্যটা আমরা এখানে দিচ্ছি। সেই তথ্যগুলো আপনার অনেক কাজে আসবে, এখানে আমি কিছু উল্লেখ করে দিচ্ছি সেগুলো আপনারা একটু মনে রাখবেন। দুইভাবে প্রবাসী লোন নেওয়া যায়, তাই আমি আপনাদেরকে পুরো তথ্যটা এখানে দিচ্ছি। Read More: starting a successful business 10 High Profit Unique Business Ideas.

  • যদি আপনি দেশের বাইরে থাকেন তাহলে প্রবাসী লোন টা কার নামে নেবেন? সেটা একটা কথা তাই না, যদি আপনি বিবাহিত হন, তাহলে আপনি আপনার ওয়াইফ এর নামে সে প্রবাসী লোন টা নিতে পারবেন।
  •  আর যদি আপনি অবিবাহিত হন। তাহলে আপনার মা এবং বাবা সেই প্রবাসী লোন টা নিতে পারবে।
  • আর যদি আপনি সশরীরে হাজির হইয়া নিতে চান, আপনার নামে তাও আপনি নিতে পারবেন প্রবাসী লো

এখন আসি আপনারা কি কি লাগবে?

 যদি আপনি বা আপনার ওয়াইফ এর নামে প্রবাসী লোন টা নিয়ে থাকেন আপনি তাহলে আপনার প্রয়োজন পড়বে:

  •  আপনার ওয়াইফ এর আইডি কার্ড।
  •  আপনার ওয়াইফের ব্যাংক একাউন্টের একটি চেক।
  •  দুইজন জামিনদার।
  •  একজন জামিনদারের চেক।
  •  আর আপনার যে দেশে আসছেন সে দেশের ভিসা সহ পাসপোর্ট কপি।
  •  আর সেই দেশে মেয়াদ থাকা অবস্থায় আইডি কার্ড।
  • আর অনেক এনজিও সংস্থার মধ্যে আপনার বসতবাড়ির খতিয়ানের ফটোকপি টা লাগে।

প্রবাসী ব্যাংক এর ঠিকানা 

এখানে তাদের সাথে যোগাযোগের জন্য, আমি এখানে তাদের ওয়েবসাইট এবং টেলিফোন নাম্বার ফেসবুক পেইজ যত কিছু আছে তা আমি এখানে উল্লেখ করে দিচ্ছি সেখান।

আপনাদের সুবিধার্তে এখানে যোগাযোগ করার জন্য ঠিকানাগুলো প্রদান করা হলো।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকhttp://www.pkb.gov.bd/
Shakti Foundation+88 09613-444111
+88 02-58052031
+88 01819850148
BURO Bangladesh+880-2-55059860-62

সমাপ্তি

প্রিয় প্রবাসী ভাই ও বোনেরা আশা করি আপনারা এই প্রসাদ প্রবাসী লোন সম্পর্কে ইতিমধ্যে সবকিছু জেনে গেছেন। এবং আমরা আশা করব আপনারা খুব শীগ্রই এই প্রবাসী লোন টা নিয়ে নেবেন, আপনার নিকটতম যেকোনো প্রবাসী ব্যাঙ্ক অথবা এনজিও থেকে নিয়ে নিবেন। আর এই পোস্টটা পড়ার জন্য আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল আমাদের পক্ষ হইতে। এবং আশা রাখবো আপনাদের ভালোবাসার সাথে এই পোস্টটি আপনার বন্ধু বান্ধব দের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন। শেয়ার করবেন আজকের মতো এতোটুকুই আপনাদের জন্য দোয়া করবেন, আগামীতে আরো সুন্দর সুন্দর ইনফরমেশন নিয়ে আসতে পারি, আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

Shaer With Love

Leave a Comment